উজানের পানি ও অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রামের সবকটি নদ নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে তিস্তা ও দুধকুমর নদের পানি কমে বিপৎসীমার কাছে রয়েছে
- শিবিরের হামলার অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, পুনরাবৃত্তি হলে পাল্টা প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি
- * * * *
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব সাখাওয়াৎ হোসেন
- * * * *
- রেজিস্ট্রার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিতের আবেদন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রারের
- * * * *
- পিরোজপুরের জিয়ানগরে আরো ৭৫ ব্যারেল চোরাই বিটুমিন উদ্ধার
- * * * *
- কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাংলা প্রথম পত্রে ভুল নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন সরবরাহের অভিযোগ
- * * * *
নদীর পানি বৃদ্ধি
কুড়িগ্রামে গত কয়েকদিন ধরে সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলসমূহ পানিতে তলিয়ে গেছে।
টাঙ্গাইলে যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাইসহ সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। জেলার টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর ও কালিহাতী উপজেলার ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
দুদিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজানের পানির ঢলে কুড়িগ্রামের সবকটি নদনদীর পানি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তবে মঙ্গলবার দুপুরে তিস্তা নদীর পানি অনেক বাড়লেও তা বিকেলে কমতে শুরু করে।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে ইসলামপুর, মেলান্দহ, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি ও মাদারগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সবগুলো নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে পানি বাড়ছে তিস্তা ও দুধকুমার নদীতে এবং নদীর চরসমূহে পানি উঠে চরে বসবাসকারীদের বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে।
নদীর পানি আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল ও মোংলা নদীর পাড়ে নির্মিত পৌরসভার মেরিন ড্রাইভ সড়কটি চরম ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে।